‘আক্বীদাহ-বিশ্বাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
‘আক্বীদাহ-বিশ্বাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১

অগ্নি সংযোগ, বিল্ডিং ধ্বস, জাহাজ ডুবীসহ ইত্যাদি অপমৃত্যু থেকে বাচাঁর দোয়া

❏ প্রত্যেক দিন খবর দেখলেই দেখা যায়, পৃথীবির কোথাও না কোথাও অগ্নি সংযোগে মৃত্যু, বিল্ডিং ধ্বসে মৃত্যু, লঞ্চ ও জাহাজ ডুবে মৃত্যু, কুপে পড়ে মৃত্যু, বিষাক্ত প্রাণীর ছোবলে মৃত্যুসহ নানা অপমৃত্যু খবর দেখতে পাই।

❀ আমরা সকলেই উক্ত খবর পড়ে দুঃখ প্রকাশ করি ও দোয়া করি। এছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। কিন্তু আমাদের কি জানা আছে? আমাদের প্রিয় নবী (সা.) বিশুদ্ধ হাদীস এর মাধ্যমে, আমাদেরকে এই সব অপমৃত্যু থেকে বাঁচার দোয়া শিখিয়ে গিয়েছেন?

❖ হযরত আবূল ইয়াসার (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা.) এভাবে দু‘আ করতেন :-

 1552 سنن أبي داود (2/ 92)

 حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ صَيْفِيٍّ، مَوْلَى أَفْلَحَ، مَوْلَى أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الْيَسَرِ، أَنَّ رَسُولَ صَلَّى عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَدْعُو: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الهَدْمِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّي، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْغَرَقِ، وَالْحَرَقِ، وَالْهَرَمِ، وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ يَتَخَبَّطَنِي الشَّيْطَانُ عِنْدَ الْمَوْتِ، وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ فِي سَبِيلِكَ مُدْبِرًا، وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ لَدِيغًا»ا»،

❀উচ্চারণ : ‘‘আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল হাদমি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিনাত্ তারাদ্দী ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিনাল গরাকি ওয়াল হারক্বি ওয়াল হারামি ওয়া আ‘ঊযুবিকা আন্ ইয়াতাখব্বাত্বানিশ্ শায়ত্ব-নু ‘ইন্‌দাল মাওতি ওয়া আ‘ঊযুবিকা আন্ আমূতা ফী সাবীলিকা মুদবিরান ওয়া আ‘ঊযুবিকা আন্ আমূতা লাদীগা-’’

❀ অর্থ :   হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই [আমার ওপর] কিছু ধসে পড়া হতে। আমি তোমার কাছে আরও আশ্রয় চাই উপর হতে পড়ে যাওয়া থেকে, আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই পানিতে ডুবা, আগুনে পোড়া ও বার্ধক্য হতে। আরো আশ্রয় চাই তোমার কাছে মৃত্যুর সময় শয়তানের প্ররোচনায় নিমজ্জিত হওয়া থেকে। আর তোমার পথ হতে পৃষ্ঠপ্রর্দশন [জিহাদের ময়দান হতে পিছ পা] অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা হতেও আশ্রয় চাই। আরো আশ্রয় চাই দংশিত হয়ে মৃত্যুবরণ করা হতে। আবু দাউদ খন্ড-০২, পৃষ্ঠা-৯২, হাদীস নং-১৫৫২।

❀ হাদীস এর মান ও প্রমাণ সূত্র : 

০১।মুসতাদরাকে হাকেম খঃ-১/৭১৩  হাদীস নং-১৯৪৮ ইমাম হাকেম (রহ.) মৃত্যু-৪০৫হি., তার উক্ত গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন।

০২। সুনান আন-নাসায়ী খঃ-৮/২৮২ হাদীস নং-৫৫৩১, আস-সুনানুল কুবরা খঃ-৭/২৩৮ হাদীস নং-৭৯১৭, দুটি গ্রন্থ ইমাম নাসায়ী (রহ.) মৃত্যু-৩০৩হি., কর্তৃক রচিত।

০৩।  মুসনাদ আহমেদ খঃ-২৪/২৮১ হাদীস নং-১৫৫২৩ ইমাম আহমাদ ইবনে হামবল (রহ.) মৃত্যু-২৪১হি. কর্তৃক রচিত।

০৪। আল-মুযামুল কাবীর খঃ-১৯/১৭০ হাদীস নং-৩১৮, আদ-দোয়া লিত-তাবরানী পৃ.-৪০৬হাদীস নং-১৩৬৩, দুটি গ্রন্থ ইমাম তাবরানী (রহ.) মৃত্যু-৩৬০হি. কর্তৃক রচিত।

৫। আল-আহাদ ওয়াল মাসানী খঃ-০৩/৪৬০ হাদীস নং-১৯১৯, আল জিহাদ খঃ-২/৬৩৭ হাদীস নং-২৬৯  দুটি গ্রন্থ ইমাম ইবনে আবি আসেম (রহ.) মৃত্যু-২৮৭হি. কর্তৃক রচিত।

৬। সহীহ আবু দাউদ খঃ-৫/২৭৪ হাদীস নং-১৩৮৮ শায়খ আলবানী মৃত্যু-১৪২০হি. কর্তৃক রচিত গ্রন্থেও উক্ত হাদীসটি “সহীহ”(বিশুদ্ধ) বলে উল্লেখ করেছেন।

এছাড়াও হাদীস গ্রন্থের অসংখ্য কিতাবে উক্ত হাদীসটি উল্লেখ রয়েছে।

❀ হাদীসে বর্ণিত শব্দের বিশ্লেষন:

هدم : কোন স্থাপনা ধ্বসে পড়া । উক্ত হাদীসে কোন বিল্ডিং অথবা স্থাপনার নিচে পড়ে মৃত্যু থেকে আশ্রয় চাওয়াকে বুঝানো হয়েছে।

تردى : কোন উচ্চ স্থান থেকে পড়ে মৃত্যুকে বুঝানো হয়েছে, যেমন পাহাড় ও ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু বরণ করা অথবা কোন নিচু স্থান তথা কূপে পড়ে মৃত্যুকেও বুঝানো হয়েছে। 

غرق : পানিতে ডুবে মৃত্যুকে বুঝানো হয়েছে।

حرق : আগুনে পুড়ে মৃত্যুকে বুঝানো হয়েছে।

هرم : অধিক বার্ধক্যজনিত মৃত্যু অর্থাৎ যে বয়সে পৌছালে, বয়োবৃদ্ধ, মানসিক বিকৃতি, দুর্বলমনস্কতা ও অন্যের উপর নির্ভর হয়ে চলতে হয়, এমন মৃত্যু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়েছে। 

ان يتخبطنى الشيطان عند الموت : মৃত্যুর সময় শয়তানের প্ররোচনায় নিমজ্জিত হয়ে (বিকৃত মস্তিষ্ক ও ধর্ম পরিবর্তন করে মৃত্যু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়েছে। কেননা অপর একটি বশুদ্ধ হাদীসে এসেছে যে, “শেষ ভালো যার সব ভালো তার” অতএব, আমরা মৃত্যু মুহুর্তে শয়তানের প্ররোচনায় নিমজ্জিত না হয়ে মৃত্যু বরন করি ও জান্নাত বাসি হতে পারি তার জন্য আশ্রয় চাওয়া উচিৎ।

لديغا : বিচ্ছু অথবা সাপের মাধ্যমে দংশিত হয়ে মৃত্যু বরণ করাকে বুঝানো হয়েছে। 

***আওনুল মাবুদ খঃ-৪/২৮৭ আল্লামা আযিম আবাদী (রহ.) মৃত্যু-১৩২৯হি. কর্তৃক রচিত।

***হাশিয়াতুস সিন্দী আলা সুনানিন-নাসায়ী খঃ-৮/২৮২ ইমাম নুরুদদ্বীন আস-সিন্দী (রহ.) মৃত্যু-১৩৩৮হি. কর্তৃক রচিত।

✔ মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তাহকীক (বিশ্লেষন) যেনে আমল করার তাওফীক দান করুন  (আমীন)।


✍ মুফতী সানা উল্যাহ
প্রধান মুফতী ও গবেষক
মারকাযুল ইসলাহ, বাংলাদেশ।
০৮-০৮-২০২১ ইং

রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

আকীকার ক্ষেত্রে ছেলে হলে দুইটি বকরী আর মেয়ে হলে একটি কেন?


আকীকার ক্ষেত্রে ছেলে হলে দুইটি বকরী আর মেয়ে হলে একটি কেন?

 নাস্তিক নিমূলে আহলে হকের অবদান

❐ প্রশ্ন : এক ...... আমাকে জিজ্ঞাসা করলো, ইসলামে ছেলে জন্ম হলে দুইটি বকরী, আর মেয়ে হলে একটি বকরী দিয়ে আকীকা করতে হয়, তাহলে ইসলাম কি মেয়ে জন্ম নিয়ে অসন্তুষ্ট? না হয় ইসলামের এই বিধানটির মাঝে হেকমত বা রহস্য কি?


❑ জবাব : না । ইসলাম মেয়ে জন্ম নিলে কখনো অসন্তুষ্ট নয় এবং এর মাঝে মহান আল্লাহ তায়ালার যথেষ্ট হেকমত রয়েছে যা নিন্মে আলোচনা করা হলো- 

✏ আকিকা হলো মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে ইসলামের একটি গুরুত্ব পূর্ণ বিধান। আর মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কেরআনের মাঝে বলেন-
❀ - لَا يُسْأَلُ عَمَّا يَفْعَلُ وَهُمْ يُسْأَلُونَ
 মহান আল্লাহ তায়ালার কৃতকর্ম সম্পর্কে কারো জিজ্ঞাসা করার অধিকার নেই, কেননা সমস্ত মানুষই মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট জিজ্ঞাসিত। (সূরা আম্বিয়া-23) 
✔ অতএব আকীকার এই বিধানটির পিছনে কোন হেকমত বা যুক্তি না থাকলেও কারো পক্ষে এই বিধান  নিয়ে  প্রশ্ন করার কোন অধিকার নেই। যা মহান আল্লাহ উল্লেখিত বাণী থেকে স্পষ্ট।

রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

সত্তর হাজার বার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়লে......

সত্তর হাজার বার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়লে কি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া যায়??

**সালাফীদরে বিভ্রান্তির কবলে ইসলাম-
ফাযায়েলে আমল ও আল্লামা যাকারীয়া সাহেব (রহ.) কে  ফাঁসাতে গিয়ে সালাফীগণ নিজেরাই ফেঁসে গেলেন।
 

প্রথমে  সালাফী ভাইদের আপত্তিগুলো নিন্মে দেয়া হলো-

ইলিয়াসি তাবলিগের পোষ্টমর্টাম। (পর্ব ১)
জনৈক যুবকের কাশফের বয়ান ও সত্তর হাজার বার কালেমা পড়ার ফযিলত।
 
শায়েখ আবু কুররতবী (রা:) বলেন, আমি শুনিয়াছি যে ব্যাক্তি সত্তর হাজার বার কালেমা পড়িবে সে দোযখ হইতে নাজাত পাইবে। ইহা শুনিয়া আমি নিজের জন্য সত্তর হাজার বার ও আমার স্ত্রীর জন্য সত্তর হাজার বার এবং এই রুপে এই কালেমা কয়েক নেছাব আদায় করিয়া পরকালের ধন সংগ্রহ করি।
আমাদের নিকটেই একজন যুবক কাশফওয়ালা বলিয়া খ্যাত লাভ করিয়াছে। সে নাকি বেহেস্ত দোযখ দেখিতে পাইতো আমি ওহাকে সন্দেহ করিলাম।এক সময় ঐ যুবক আমার সহিত আহার করিতে বসিয়া হঠাৎ চিৎকার মারিয়া উঠিল ও বলিল আমার মা দোযখে জ্বলিতেছে। তাহার অবস্থা আমি দেখিতে পাইতেছি। যুবকের অস্থিরতা দেখিয়া কুরতবী (রা:) বলেন আমি মনে মনে সত্তর হাজার বার পড়ার একটি নেসাব ঐ যুবকের মায়ের নামে। বখশিশ করিয়া দিলাম। কিন্তু এক আল্লাহ ব্যাতিত আমার আমলের কথা আর কাহারো জানা ছিলনা। হঠাৎ যুবক বলিয়া উঠিল চাচা! আমার মা দোযখের আজাব হইতে নাজাত পাইয়াছে। কুরতবী (রা:) বলেন কেচ্ছা দ্বারা আমার দুইটি জ্ঞান হাসিল হইলো। প্রথমত সত্তর হাজার বার কালেমা পড়ার বরকত।
দ্বিতীয়ত যুবকের কাশফের সত্যতাও প্রমানিত হইল।
(ফাজায়েলে আমলের জিকির অধ্যায়! ৩৫৪পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য)
এই ঘটনা থেকে আমরা জানতে পারলাম:-শায়খ আবু কুরতবী সাহেব বলেন আমি শুনেছি, যে ব্যাক্তি সত্তর হাজার বার কালেমা পড়িবে বলে উল্লেখ্য আছে। তা কুরতবী সাহেব কোথা থেকে এমন কথা শুনেছেন তার উল্লেখ্য নেই। কোন হাদিসের কিতাবেই এমন কথা পাওয়া যায়না। তাহলে কুরতবী সাহেব এই আমলের কোথা পেলেন?
(তার মানে বানোয়াট) কাশফের মাধ্যমে জান্নাত জাহান্নাম দেখা,যা আল্লাহ গায়েবি(অদৃশ্য) করে করে রেখেছেন তার পর্যবেক্ষন করে নিজ মাকে জাহান্নামে দেখা এবং মাগফিরাত(ক্ষমা) দেখা এ গুলো সব ইলমে গায়েব অর্থাৎ অদৃশ্য জগতের কথা নয় কি? অথচ ঐ যুবক কাশফের মাধ্যমে জানতে পারলো।



আমাদের জবাব 
এখানে দুটি বিষয়


❶ : প্রথমত 70 হাজার বার লা ইলাহা ইল্লাহ পড়লে কবরের আযাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, একথাটি ইমাম আবূ ইয়াযীদ কুরতুবী (রহ.) কোথা থেকে পেয়েছেন?

❷ : দুনিয়া থেকে জান্নাত জাহান্নাম দেখা সম্ভব কি না? চাই তা কাশফের মাধ্যমে হোক অথবা স্বপ্বের মাধ্যমে অথবা অন্য কোন ভাবে হোক।

আসুন এখন আমরা শুধু 70 হাজার বারের তাহকীক করবো এ বিষয়টি কোথা থেকে আসছে এবং এর সত্যতা কতটুকু? আর দ্বিতীয় বিষয়টি আমার অন্য পর্বে আসছে, ইনশাআল্লাহ
✍ সত্তর হাজার বারের এই নিয়ম সর্ব প্রথম চালু করেছেন আল্লামা ইবনুল আরবী (রহ.)। দেখুন এর বাস্তবতা-

বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৫

দুনিয়াতে আল্লাহকে দেখা সম্ভব?

 দুনিয়াতে আল্লাহকে দেখা সম্ভব?

আসসালামু আলাইকুম মুফতি সাহেব !

আমি মোঃ রেজওয়ানূর রহমান ! মোহাম্মদপূর,ঢাকা !


বেশ কিছু দিন যাবত কথিত আহলে হাদিসরা 'দাওয়াত ও তাবলীগ' এর মত হক্ক মেহনত এর বিরুদ্ধে নানা রকম মিথ্যাচার ও অপবাদ রটিয়ে  চলেছে ! সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য এবং এই মেহনত থেকে দুরে সরানোর জন্য এদের সীমাহীন ফিৎনা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে ! 

'ফাজায়েলে আমাল' এর  কিছু ঘটনাকে এরা কূরআন ও হাদীস বিরোধী আক্ষা দিয়ে অপপ্রচার করছে ! যেমন নিম্ন বর্ণীত এই ঘটনাটি নিয়ে এরা সর্বাধীক অপপ্রচার করে থাকে -

ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল আল্লাহ তায়ালাকে স্বপ্নে দেখিয়া জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন, ‘’হে আল্লাহ! আপনার দরবারে নৈকট্য লাভের জন্য সবচেয়ে বড় উসিলা কি?’’ উত্তর আসিল, আহমাদ! সেটা আমার কালাম।‘’আমি আরয করিলাম, ‘’বুঝিয়া পড়িলে নাকি না বুঝিয়া পড়িলে?’’এরশাদ হইল,‘’বুঝিয়া পড়ুক বা না বুঝিয়া পড়ুক উভয় অবস্থাই নৈকট্যের উসিলা’’ 


ফাজায়েলে আমল; ফাজায়েলে কুরআন; মুহাম্মাদ যাকারিয়া ছাহেব কান্ধলভি; অনুবাদক- মুফতি মুহাম্মাদ উবাইদুল্লাহ; নজরে ছানী ও সম্পাদনা হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ যুবায়ের ছাহেব ও মাওলানা রবিউল হক ছাহেব; কাকরাইল মসজিদ, ঢাকা। প্রকাশনা- দারুল কিতাব, ৫০ বাংলাবাজার, ঢাকা; অক্টোবর ২০০১ ইং; পৃষ্ঠা নঃ ৫৪


তাদের দাবি এই ঘটনাটি কূফরী-শীরকি এবং কূরআন সূন্নাহ বিরোধী ! 
ইমাম আহমাদ বিন হাম্বলের নামে এটি একটি মিথ্যা কথা, যা তিনি অসংখ্য কিতাব লিখেছেন। তারা তাদের সাধ্যমত খোজ করেও তাঁর কোন কিতাবে উপরোক্ত ঘটনার উল্লেখ নাকি পাই নি। আর আল্লাহ কে দুনিয়ায় দেখার বিষয়টি নাকি বড় রকমের শীরকী বিষয় !  


এই বিষয়ে মুফতি সাহেবের মূল্যবান মতামত ও জবাবের অপেক্ষায় থাকলাম !
আল্লাহ তায়ালা হযরতের এলেমে বরকত দান করুন (আমীন)

সমাধান

‘সৃষ্টি কে ছাড়িয়ে সষ্টা নিয়ে শুরু হলো ফেৎনা’’
আর তা হলো আল্লাহকে দুনিয়াতে দেখা সম্ভব কিন না? সালাফীগণ বলেন না, আর ফাযায়েলে আমলের মাঝে ইমাম আহমদ রহ. আল্লাহকে দেখেছেন বলে উল্লেখ রয়েছে তাই তারা বলে এই কিতাবে শিরক আছে? আসলে আমরা গবেষনা করে দেখি কার কথা সঠিক আর কার ফাতাওয়ায় কে শিরক করছে? 


উত্তর : আল্লাহ তায়ালাকে দুনিয়াতে দেখা সম্ভব আর তার পদ্ধতি নিয়ে রয়েছে মতানক্য, অর্থাত স্বপ্নে মাঝে নাকি বাস্তবে। (আর দেখা সম্ভব নয় এই কথাটি সম্পূণ ভুল)।

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৫

জাতীয় পতাকাকে স্যালুট বা সম্মান প্রদর্শন করা বৈধ কি?

জাতীয় পতাকাকে স্যালুট বা সম্মান প্রদর্শন করা বৈধ কি?

আসসালামু আলাইকুম,
নামঃ মোঃ আশিক
থানাঃ ঘাটাইল, জেলাঃ টাংগাইল।
মোবাইলঃ ০১৭৬৫-৪৭০ ২৭০

আমার প্রশ্নঃ
      জাতীয় পতাকার সামনে দাঁড়িয়ে যে স্যালুট প্রদান করা হয় তা ইসলামের দৃষ্টিতে যায়েজ কিনা?
যায়েজ থাকলেও দলীল সহকারে আর না থাকলেও দলীল সহকারে উত্তর দিবেন আশা করি।

      আমাদের এলাকায় এক স্কুলের শিক্ষক, জাতীয় পতাকার সামনে সম্মান পদর্শনের জন্য পতাকার সামনে দাঁড়িয়ে, পতাকার দিকে তাকিয়ে স্যালুট প্রদানে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গির দিক বিবেচনা করে অস্বীকার করাতে তার চাকুরী নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে তাই দয়া করে এর ইসলামি সমাধান আশা করছি। স্কুল কমিটি তার কাছে দলীল চেয়েছে।

الجواب باسم ملهم الصدق والصواب

সমাধানঃ জাতীয় পতাকার সামনে দাঁড়িয়ে স্যালুট/ সম্মান প্রদর্শন করা বৈধ নয়, এটি একটি বিদ‘আত ও পরিত্যাক্ত কাজ।

সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০১৫

কুরআন তিলাওয়াত শেষে সাদাকাল্লাহুল আযীম বলা কি বিদ‘আহ !!!

প্রশ্ন : বর্তমানে আহলে হাদীসরা বিভিন্ন স্থানে প্রচার করতেছে যে, কোরআন তেলাওয়াত শেষ করার পর “সাদাকাল্লাহুল আযীম” বলা বেদআত। কারণ একথা হাদীসের মাঝে নেই। এখন আমাদের জানার বিষয় হলো আসলে এটি বিতআত কি না?

উত্তরঃ তাদের কথা ভুল। কোরআনুল কারীম তেলাওয়াত শেষে “সাদাকাল্লাহুল আযীম” (যার অর্থ হলো মহান আল্লাহ সত্য বলেছেন) বলা যাবে এটি বেদআত নয়। তার প্রমাণ স্বরূপ আমরা মহান আল্লাহ বাণী দেখবো তিনি প্রবিত্র কোরআনে বলেন-

 قُلْ صَدَقَ اللَّهُ فَاتَّبِعُوا مِلَّةَ إِبْرَاهِيمَ حَنِيفًا وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ [آل عمران: ৯৫


শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৫

বিদ‘আহ! বিদ‘আহ! বিদ‘আহ! সকল ঈদের সেরা ঈদ রাসূলের জন্ম ঈদ!!!

সকল ঈদের সেরা ঈদ রাসূলের জন্ম ঈদ!!!

(সারসংক্ষেপ, যারা বিস্তারিত পড়তে আগ্রহী নন)
     ঈদে মিলাদুন নবী পালন করা হলো বেদআত, কারন সাহাবী ও রাসূল (সাঃ) থেকে এ সম্পর্কে কোন বণনা নেই। মোট কথা কোরআন ও হাদীসে এর সপক্ষে কোন বিধান নেই। আর এগুলো হলো বিজাতীয় স্বাভাব যা প্ররিত্যাগ করা আমাদের জন্য আবশ্যক। তাছাড়াও ইসলামী শরী‘আতে দুটিমাত্র ঈদ পাওয়া যায়। তাহলে এখন তৃতীয় ঈদ কোথা থেকে আসলো? নিশ্চয় বিদ‘আতীদের পক্ষ থেকে।
     আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন আমীন।
 

বিস্তারিত দেখুন-