মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৫

জানাযার নামাযে সূরায়ে ফাতিহা পড়বেন না কেন? এর দলীল

 জানাযার নামাযে সূরায়ে ফাতিহা পড়বেন না কেন? এর দলীল
✪ প্রশ্ন :  জানাযার নামাযে সূরায়ে ফাতিহা পড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত কি না? যদি প্রমাণিত না হয়, তাহলে দলীল দিন। কেননা হাদীছ মুবারকের মর্মার্থ তো এরূপ যে, ‘‘সূরায়ে ফাতিহা ব্যতীত কোন নামায নেই।’’

✪ জবাব : এ সম্বন্ধেও কতিপয় বিষয় আলোচনাযোগ্য।

❖ প্রথম : জানাযার নামাযকে রূপক অর্থে নামায বলা হয়। কেননা এতে নামাযের কতক শর্ত তথা সতর ঢাকা, কিবলামূখী হওয়া প্রভৃতিকে জরুরী গণ্য করা হয়ে থাকে। নতুবা প্রকৃত অর্থের দিক দিয়ে তা নাময নয়; বরং একটি বিশেষ তরীকায় মৃত ব্যক্তির জন্য দুআ ও ইসতিগফার করা। (সালাফী ভাইদের নয়নের শিরোমনি) হাফিয ইবনে কায়্যিম (রহ.) নিজ ‘যাদুল মাআদ’ গ্রন্থে লিখেন : 

বিতর নামাযে কুনূতের জন্য তাকবীর এবং হস্তদ্বয় উত্তোলন করা ইত্যাদি বিষয়ের দলীল কি ?

বিতর নামাযে কুনূতের জন্য
তাকবীর এবং হস্তদ্বয় উত্তোলন করা ইত্যাদি বিষয়ের দলীল কি ?

✏ এই মাসয়ালার কতক বিষয় আলোচনাযোগ্য। 

❖ প্রথম : এ বিষয়ে মতপার্থক্য হয়েছে যে, কুনূত শুধু বিতর নামাযে পড়া হবে, কিংবা ফজর নামাযেও পড়া হবে? আর তা রুকুর পূর্বে পড়া হবে কিংবা রুকুর পরে পড়া হবে? হানাফীগণের মতে দু’আয়ে কুনূত বিতর নামাযে সদাসর্বদা পড়তে হবে এবং তা রুকুর পূর্বে হবে। আর কুনূতে নাযিলাহ, যা ফজরের নামাযে বিশেষ বিপদের সময় পড়া হয় তা রুকুর পরে হবে। রসূলুল্লাহ (সা.) থেকে রুকুর পূর্বে এবং পরে কুনূত পড়া সম্বন্ধে যে সব, রিওয়ায়তসমূহ বর্ণিত হয়েছে, এর সত্যিকার সমম্বয় হানাফীগণের মতে এটাই।

শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৫

হানাফী মাযহাব অনুসারে ফজরের সুন্নাত সংক্রান্ত বিধান এর কোন দলীল আছে কি?

হানাফী মাযহাব অনুসারে ফজরের সুন্নাত সংক্রান্ত বিধান এর কোন দলীল আছে কি?

❁ প্রশ্ন : জামাআতে নামায অনুষ্ঠানের জন্য ইকামত হয়ে গেলে নিকটবর্তী স্থলে অন্য কোন নামায হয় না, তাহলে ফজরের সুন্নত নামায কেন তখনও পড়া হয় যখন ফরয নামায আরম্ভ হয়? হাদীছের দৃষ্টিতে তো নামায হয়নি? আর মসজিদের কোন কোণে পড়ে নেয়ার সময় কি ইমামের কিরাআতের স্বর তার কানে পৌঁছে পরস্পর আঘাত করবে না?

❀ জবাব : এ মাসয়ালায় দু’ দিক থেকে বিরোধ, যে কারণে কোন এক দিক গ্রহণ করলেই আপত্তি উঠে। একটি হলো এই যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) অসংখ্য হাদীছ শরীফে ফজরের সুন্নতের প্রতি অত্যাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। এ কারণেই উম্মতের সর্বসম্মত মতে ফরয ও বিতর নামাযের পর সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফজরের সুন্নত নামায। 

বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৫

‘ যে ব্যক্তি জিকির করতে করতে নিজ জিহ্বা তাজা রাখিবে, সে কিয়ামতের দিন হাসতে হাসতে জান্নাতে প্রবেশ করিবে’’

❐ তাবলীগ ও আল্লামা জাকারিয়া সাহেব (রহ.) এর প্রতি  অপপ্রচারের জবাব ও পাল্টা চ্যালেঞ্জ

❁ প্রশ্ন : তাবলীগের সাথীগণ বলে থাকেন : ‘‘ যে ব্যক্তি জিকির করতে করতে নিজ জিহ্বা তাজা রাখিবে, সে কিয়ামতের দিন হাসতে হাসতে জান্নাতে প্রবেশ করিবে’’ কোরআন  সুন্নাহের আলোকে এ কথাটির কোন ভিত্তি রয়েছে? না কি মুরুব্বিদের বানানো বিদ-আতী ও মনগড়া কথা?

❁ উত্তর : হ্যাঁ, এ কথাটি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। মুরুব্বিদের মনগড় বা কোন বেদ-আতি কথা নয়। দেখুন নিন্মে তার  তাহকীক। 

✏ ইমাম বুখারী (রহ.) এর উস্তাদ ‘ইমাম ইবনে শায়বা (রহ.)’’ এ সংক্রান্তে একটি হাসান বর্ণনা, তার নিজ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন-
مصنف ابن أبي شيبة (6/ 58)
29459 - حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: «إِنَّ الَّذِينَ لَا تَزَالُ أَلْسِنَتُهُمْ رَطْبَةً مِنْ ذِكْرِ اللَّهِ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ وَهُمْ يَضْحَكُونَ»

হযরত আবূ দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যাদের জিহ্বা আল্লাহর জিকির দ্বারা তাজা থাকে তারা হাসতে হাসতে জান্নাতে প্রবেশ করবে। 

সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০১৫

‘‘প্রত্যেক মাসে আল্লাহর রাস্তায় তিন দিন সময় দিলে, পুরা মাস আল্লাহর রাস্তায় সময় লাগানোর সাওয়াব পাওয়া যায়’’ এ কথাটির কোনো দলীল আছে কি?

তাবলীগ বিরোধী অপপ্রচারের জবাব

‘‘প্রত্যেক মাসে আল্লাহর রাস্তায় তিন দিন সময় দিলে, পুরা মাস আল্লাহর রাস্তায় সময় লাগানোর  সাওয়াব পাওয়া যায়’’ এ কথাটির কোনো দলীল আছে কি? না কি মুরুব্বীদের তৈরী করা বেদ-আতি পন্থা?


✏ উত্তর : হ্যাঁ। কোরআন সুন্নাহ অনুসারে এর যথেষ্ট দলীল রয়েছে। এটি কোন বেদ-আতি পন্থা বা মুরুব্বীদের মনগড়া মতবাদ নয়। 

✏  দেখুন সহীহ বুখারীর বর্ণনায় রাসূল (সা.) বলেন :-

রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০১৫

আপনি কি আহলে হাদীস, বেদ-আতি ইত্যাদি ভাইদের সাথে খারাপ আচরণে অভ্যস্ত ?

আপনি কি আহলে হাদীস, বেদ-আতি ইত্যাদি ভাইদের সাথে খারাপ আচরণে অভ্যস্ত ? তাহলে আজই তা পরিহার করুন। 
দেখুন নিন্মে পুস্তিকাটির 21 নং পৃষ্ঠায় আল্লামা আশরাফ আলী থানভী (রহ.) এর একটি ঘটনা। এবং সম্পূর্ণ পুস্তিকাটি পড়ার চেষ্টা করুন, যা নিয়ে আসতে পারে আপনার জীবনে এক অসাধারণ পরিবর্তন।
ডাউন লোড লিংক : 
https://www.facebook.com/download/1558759437745706/%E0%A6%A6_%E0%A6%AC_%E0%A6%A8%20%E0%A6%93%20%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A6%AC.pdf

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০১৫

নিন্ম বাক্য পরিহার চাই, ‘‘বিক্রিত মাল ফেরৎ নাই’’

 নিন্ম বাক্য পরিহার চাই, 
‘‘বিক্রিত মাল ফেরৎ নাই’’

বর্তমানে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্টের মার্কেট, শপিংমল ও দোকান ইত্যাদির মাঝে একটি বাক্য শ্লোগান রূপ নিয়েছে আর তা হলো ‘‘বিক্রিত মাল ফেরৎ নাই’’। আসলে এটি কি কোন ইসলাম সম্মত আচরণ না কি ইসলাম বর্হিগত আচরণ? আসুন দেখি এর বিস্তারিত আলোচনা......

❁ একটি সহীহ হাদীস এর মাঝে রাসূল (সা.) বলেন-

❖ سنن أبي داود (3/ 274)
3460 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَقَالَ مُسْلِمًا أَقَالَهُ اللَّهُ عَثْرَتَهُ»