হাদীস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
হাদীস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৫

সাক্ষাতের সময় মুসাফাহা করা সুন্নাত : বিদায় বেলা মুসাফাহা করা কি বেদআত?

সাক্ষাতের সময় মুসাফাহা করা সুন্নাত : বিদায় বেলা মুসাফাহা করা কি বেদআত?
সাক্ষাতের সময় মুসাফাহা করা সুন্নাত, এটি আমাদের সকলেরই জানা। নিম্মে এর দলীল নিয়ে কিছু আলোচনা করা হবে। ইনশাআল্লাহ
কিন্তু অনেক ভাইকে বলতে শুনা যায় যে, বিদায় বেলা মুসাফাহা করা বেদআত। আসলে এর বাস্তবতা কতটুকু....

রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

হারানো বস্তু/ব্যক্তির চেয়ে উত্তমটি পেতে নিম্ম দোয়া পড়ুন

হারানো বস্তু/ব্যক্তির চেয়ে উত্তমটি পেতে নিম্ম দোয়া পড়ুন
জীবনে চলার পথে অনেক সময় হারাতে হয় অনেক কিছু যেমন নিজ প্রিয় বস্তু বা ব্যক্তি। আর তাতে সকলকেই মর্মাহত হতে হয়। কিন্তু এমন একটি ব্যবস্থাওতো জেনে রাখা প্রয়োজন, যাতে করে আপনি উক্ত বস্তুর চেয়ে উত্তম কিছু পেয়ে যান। আর সেই ব্যবস্থাই আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন, আমাদের প্রিয় নবী রাসূল (সা.)। নিম্মে দোয়াটি পেশ করা হলো-
صحيح مسلم (2/ 631)
3 - (918) حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ حُجْرٍ، جَمِيعًا عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ ابْنُ أَيُّوبَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، أَخْبَرَنِي سَعْدُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ كَثِيرِ بْنِ أَفْلَحَ، عَنْ ابْنَ سَفِينَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: " مَا مِنْ مُسْلِمٍ تُصِيبُهُ مُصِيبَةٌ، فَيَقُولُ مَا أَمَرَهُ اللهُ: {إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ}، اللهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا، إِلَّا أَخْلَفَ اللهُ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا "، قَالَتْ: فَلَمَّا مَاتَ أَبُو سَلَمَةَ، قُلْتُ: أَيُّ الْمُسْلِمِينَ خَيْرٌ مِنْ أَبِي سَلَمَةَ؟ أَوَّلُ بَيْتٍ هَاجَرَ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ إِنِّي قُلْتُهَا، فَأَخْلَفَ اللهُ لِي رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَتْ: أَرْسَلَ إِلَيَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَاطِبَ بْنَ أَبِي بَلْتَعَةَ يَخْطُبُنِي لَهُ، فَقُلْتُ: إِنَّ لِي بِنْتًا وَأَنَا غَيُورٌ، فَقَالَ: «أَمَّا ابْنَتُهَا فَنَدْعُو اللهَ أَنْ يُغْنِيَهَا عَنْهَا، وَأَدْعُو اللهَ أَنْ يَذْهَبَ بِالْغَيْرَةِ»

বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

আম্মাজান আয়েশা (রা.) রাগ করলে, রাসূল (সা.) যেভাবে বুঝতেন...

আম্মাজান আয়েশা (রা.) রাগ করলে, রাসূল (সা.) যেভাবে বুঝতেন...
কিছু দিন পূর্বে এক জায়গায় যাচ্ছিলাম, পথের মাঝেই শুরু হয়ে গেলে রাগ বশতঃ স্বামী স্ত্রীর মারামারি, আমি দেখে অবাক হলাম! আর মনে মনে ভাবতে লাগলাম যে, প্রকৃত ইসলামের বিধান জানা থাকলে আজ এমন হতো না। আর এধরনের রাগের কারণেই অনেক সময় ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় । তাই এ বিষয়ে কিছু কথা...
মানুষ রাগ হওয়াটাই স্বাভাবিক, তাই বলে কি এমন অস্বাভাবিক আচরণ! দেখুন আম্মাজান আয়েশা (রা.)ও রাগ করতো, কিন্তু রাসূল (সা.) কী বলতেন-
صحيح مسلم (4/ 1890)
80 - (2439) حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ وَجَدْتُ فِي كِتَابِي عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنِّي لَأَعْلَمُ إِذَا كُنْتِ عَنِّي رَاضِيَةً، وَإِذَا كُنْتِ عَلَيَّ غَضْبَى» قَالَتْ فَقُلْتُ: وَمِنْ أَيْنَ تَعْرِفُ ذَلِكَ؟ قَالَ: " أَمَّا إِذَا كُنْتِ عَنِّي رَاضِيَةً، فَإِنَّكِ تَقُولِينَ: لَا وَرَبِّ مُحَمَّدٍ وَإِذَا كُنْتِ غَضْبَى، قُلْتِ: لَا، وَرَبِّ إِبْرَاهِيمَ " قَالَتْ قُلْتُ: أَجَلْ، وَاللهِ يَا رَسُولَ اللهِ مَا أَهْجُرُ إِلَّا اسْمَكَ.
হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে বললেন, হে আয়েশা! আমি অবশ্যই জানি কখন তুমি আমার প্রতি সন্তুষ্ট থাক আর কখন নারাজ (রাগ) হও। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তা আপনি কিভাবে জানেন? রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, যখন তুমি আমার প্রতি সন্তুষ্ট থাক, তখন তুমি এরূপ বল, ‘মুহাম্মাদের প্রভুর কসম, আর যখন তুমি অসন্তুষ্ট হও তখন বল, ‘ইবরাহীমের প্রভুর কসম’! আমি বললাম, জী হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ। খোদার শপথ! (রাগের সময়) আমি কেবল আপনার নামটাই বাদ দেই। সহীহ মুসলিম-৪/১৮৯০, হাদীস-২৪৩৯।

সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৫

কেমন চরিত্র ছিল আম্মাজান আয়েশা (রা.) এর! আর কি বলছে কথিত আহলে হাদীস..!

কেমন চরিত্র ছিল আম্মাজান আয়েশা (রা.) এর! আর কী বলছে কথিত ‘‘আহলে হাদীস’’..!
কিছু দিন পূর্বে এক কথিত ‘‘আহলে হাদীস’’ একটি আলোচনার প্রেক্ষিতে আম্মাজান আয়েশা (রা.) কে গালিগালাজ করছিলো। সাথে সাথে আরো বললো, সাহাবীদের কথা প্রমাণযোগ্য নয়!!
আমি তার কথা শুনে খুবই মর্মাহত হলাম। তার প্রতি খুবই আফসোস হল। সে যদি আম্মাজান আয়েশা (রা.) এর পরিচয় জানত, তাহলে মনে হয় এমন কথা বলা আদৌ সম্ভব হতো না। কথিত ‘‘আহলে হাদীসদেরকে’’ এই সব বুলি, তাদের গুরুজনরাই শিক্ষা দিয়েছে। দেখুন তার কিছু দৃষ্টান্ত-
ভারতবর্ষে লা-মাযহাবীদের প্রধান মুখপাত্র নবাব ছিদ্দিক্ব হাসান খানের নিজ গ্রন্থ থেকে কয়েকটি উক্তি নিন্মে প্রদত্ত হল-
قول الصحابى لاتقوم به حجة وفهم الصحابى ليس بحجة ـ
‘‘সাহাবাগণের (রা.) কথা দলীল স্বরূপ পেশ করা যাবে না এবং তাদের বুঝ নির্ভরযোগ্য নয়।’’ আর রওজাতুন নাদীয়াহ-১/১৪১, ১/১৫৪।

রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৫

الجنَّةُ تحتَ أقدامِ الأمَّهاتِ ‘‘মায়ের পায়ের নিচে (সন্তানের) বেহেশত’’ উক্ত বাক্যে হাদীসটি কি সহীহ?

الجنَّةُ تحتَ أقدامِ الأمَّهاتِ
‘‘মায়ের পায়ের নিচে (সন্তানের) বেহেশত’’ উক্ত বাক্যে হাদীসটি কি সহীহ?
বেশ কিছু ভাই প্রশ্ন করেছেন, উক্ত শব্দে হাদীসটি সহীহ কি না? এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে। যদি উক্ত হাদীস সহীহ না হয়, তাহলে উক্ত মর্মে অন্য কোন হাদীস রয়েছে কি? নিম্মে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো....

উক্ত শব্দে হাদীসটি সহীহ না বরং এটি যয়ীফ ও মুনকার। নিম্মে হাদীসটি সনদসহ দেখুন-
الكامل في ضعفاء الرجال (8/ 64)
قَالَ الشَّيْخُ: وَهَذَا حَدِيثٌ مُنْكَرٌ بِهَذَا الإِسْنَادِ يرويه، عَن أَبِي المليح مُوسَى بْن مُحَمد، وأَبُو المليح لا بأس به.
حَدَّثَنَا عُمَر بْنُ سِنَانٍ، حَدَّثَنا عباس بن الوليد الخلال، حَدَّثَنا مُوسَى بْنُ مُحَمد بْنِ عطاء، حَدَّثَنا أَبُو الْمُلَيْحِ عَنْ مَيْمُونَ بْنِ مَهْرَانَ، عنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَال: قَال رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْجَنَّةُ تَحْتَ أَقْدَامِ الأمهات من شئن أدخلن، ومَنْ شئن أخرجن
অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, মায়ের পায়ের নিচে (সন্তানের) বেহেস্ত। যে চায়, সে যেন তাতে প্রবেশ করে আর না চাইলে যেন বের হয়ে যায়। আল কামেল লি ইবনে আদী-৮/৬৪।

শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৫

মৃত ব্যক্তিকে গোসল দিলে কি কোন ফযীলত পাওয়া যায়?

মৃত ব্যক্তিকে গোসল দিলে কি কোন ফযীলত পাওয়া যায়?
গুনাহ থেকে মুক্তি পেতে চান! জান্নাতে রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে চান! আরো কত নেয়ামত....
গত বৃহস্পতিবার আমার বড় চাচি ইন্তেকাল করেন । তাই হঠাৎ করে আমার শ্রদ্ধেয় পিতা জানতে চাইলেন যে, ‘‘মৃত ব্যক্তিকে গোসল করালে কি কোন ফযীলত পাওয়া যায়?’’ তখন আমি একটি মহলে বসা ছিলাম। এই প্রশ্ন ঐ মহলে উঠালে অনেকেই এই ফাযায়েল সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে ব্যক্ত করলেন। তাই আজ ইচ্ছে হলো, এই বিষয়টি সকলকে জানিয়ে দেয়া। যাতে করে আমরাও মৃত ব্যক্তিকে গোসল দিয়ে সাওয়াবের অধিকারী হতে পারি।


০১. হযরত আবূ রাফে’ (রা.) এর হাদীস-
المعجم الكبير للطبراني (1/ 315)
929 - حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَلُولٍ الْبَصْرِيُّ، ثنا عَبْدُ اللهِ بْنُ يَزِيدَ الْمُقْرِئُ، ثنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ شَرِيكٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبَاحٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا رَافِعٍ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ غَسَّلَ مَيِّتًا فَكَتَمَ عَلَيْهِ غُفِرَ لَهُ أَرْبَعِينَ كَبِيرَةً،.......»
হযরত আবূ রাফে (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তিকে গোসল দিলো, আর তার দোষ ক্রটিগুলো ঢেকে রাখলো, আল্লাহ তায়ালা তার চল্লিশটি কবীরা গুনাহ মাফ করে দিবেন। আল মুজামুল কাবীর-১/৩১৫, হাদীস-৯২৯, মুসতাদরাকে হাকেম-১/৫০৫, হাদীস-১৩০৭, আস সুনানুল কুবরা-৩/৫৫৪, হাদীস-৬৬৫৫ ইত্যাদি

শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৫

জাল হাদীসের কবলে কেন বন্দি আজ নারী সমাজ? ‘‘স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রির বেহেস্ত’’ এটি কি কোন হাদীস?

জাল হাদীসের কবলে কেন বন্দি আজ নারী সমাজ?
‘‘স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রির বেহেস্ত’’ এটি কি কোন হাদীস?
সাম্প্রতিক কালে যে কোন বিষয়ে নারী সমাজের মুখ বন্ধ করার জন্য একটি সুন্দর বুলি তৈরী করা হয়েছে। আর তা হলো, কোন নারী স্বামীর বৈধ ও অবৈধ যে কোন ধরনের হুকুম অমান্য করতে দেখা গেলেই বলা হয়, তুমি কি জানো না? হাদীসে আছে "الجنة تحت أقدام الزوج" ‘‘স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রি বেহেস্ত’’ তুমি তো বেহেস্ত পাবে না। 
তখন বাধ্য হয়ে নারীগণ চুপ মেরে যায়। প্রকৃত পক্ষে কোরআন ও সুন্নাহের কোথাও "الجنة تحت أقدام الزوج" তথা (‘‘স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রির বেহেস্ত’’) এমন বর্ণনা পাওয়া যায় না। তাই এধরনের ভিত্তিহীন বর্ণনা আমদের পরিহার করা উচিৎ।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০১৫

শ্রদ্ধা, ভক্তি, প্রশংসা, সম্মান ও ভালোবাসার মাঝেও অতিরঞ্জন নিষেধ

শ্রদ্ধা, ভক্তি, প্রশংসা, সম্মান ও  ভালোবাসার মাঝেও অতিরঞ্জন নিষেধ
বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে দেখা যায়, শ্রদ্ধা, ভক্তি, প্রশংসা, সম্মান ও ভালোবাসা প্রদর্শন করতে গিয়ে, অনেকেই ইসলামের সীমারেখা থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। আসলে প্রকৃত পক্ষে ইসলাম এগুলো সমর্থন করে না। তাই আজকে এই বিষয়ে কিছু আলোচনা নিম্মে উল্লেখ করা হলো-


০১. একদা সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ভাবলেন আমরাতো দুনিয়াতে সমস্ত মুসলিমকেই সালাম করে থাকি, তাহলে আমরা আল্লাহকে সালাম করবো না কেন?
অতপর শুরু হলো মহান আল্লাহকেও সালাম করা। যার আলোচনা নিম্ম হাদীসে এসেছে-
صحيح البخاري (9/ 116)
7381 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا مُغِيرَةُ، حَدَّثَنَا شَقِيقُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: كُنَّا نُصَلِّي خَلْفَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَقُولُ: السَّلاَمُ عَلَى اللَّهِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنَّ اللَّهَ هُوَ السَّلاَمُ، وَلَكِنْ قُولُوا: التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ "

বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০১৫

টাকা দ্বারা ‘‘ফিতরা’’ দেয়া হাদীস ও ইমামগণের উক্তি দ্বারা প্রমাণিত

টাকা দ্বারা ‘‘ফিতরা’’ দেয়া হাদীস ও ইমামগণের উক্তি দ্বারা প্রমাণিত
❏ মাহে রমজানে অনেক ব্যস্ততা। তাই এই বিষয়ে খুব সংক্ষিপ্ত আলোচনা করবো। ইনশাআল্লাহ

✏ বর্তমানে আমাদের দেশে গায়রে মুকাল্লেদগণ ফাতওয়া দিয়ে বেড়াচ্ছে যে, ‘‘সহীহ বুখারীর মাঝে আছে ফিতরা দিতে হবে গম, খেজুর, কিসমিস, পনীর ইত্যাদি খাদ্য দ্রব্য দিয়ে। টাকা দিয়ে আদায় করলে আদায় হবে না!!’’
তাদের এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। 
❏ তাছাড়াও ইমাম বুখারী (রহ.), ইবনে আবী শায়বা (রহ.) ও বায়হাকি (রহ.) বলেন, টাকা দিয়ে ফিতরা দিলে আদায় হয়ে যাবে। নিম্মে দেখুন বিস্তারিত....

রবিবার, ৫ জুলাই, ২০১৫

হাদীসে শব্দ পরিবর্তন ও নিজ থেকে সমার্থবোধক শব্দ ব্যবহার করা সকলের জন্য বৈধ নয়

হাদীসে শব্দ পরিবর্তন ও নিজ থেকে সমার্থবোধক শব্দ ব্যবহার করা সকলের জন্য বৈধ নয়

 আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) তার রচিত কিতাব ‘নুখবাতুল ফিকার’’এ বলেন-
نخبة الفكر في مصطلح أهل الأثر (4/ 723)
وَلَا يَجُوزُ تَعَمُّدُ تَغْيِيرِ الْمَتْنِ بِالنَّقْصِ وَالْمُرَادِفِ إِلَّا لِعَالِمٍ بِمَا يُحِيلُ الْمَعَانِي [ومن ثم] فَإِنْ خَفِيَ الْمَعْنَى احْتِيجَ إِلَى شَرْحِ الْغَرِيبِ وَبَيَانِ الْمُشْكِلِ.
অর্থ : আর ইচ্চাকৃতভাবে হাদীসের ইবারতকে অসর্ম্পূণ বা সমার্থবোধক শব্দ দিয়ে পরিবর্তন করা বৈধ নয়। একমাত্র হাদীসের অর্থ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখে, এমন আলেমের জন্য বৈধ। এধরনের পরিবর্তনের কারণে হাদীসের মাঝে দূর্লভ ও কঠিন শব্দের ব্যাখ্যার দিকে মুখাপেক্ষী হতে হয়। নুখবাতুল ফিকার-৪/৭২৩।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০১৫

তারাবীহ এর চার রাকআত নামায পড়ার পর কি করবেন? কোন দোয়া পড়বেন না কি বসে থাকবেন?

তারাবীহ এর চার রাকআত নামায পড়ার পর কি করবেন? কোন দোয়া পড়বেন না কি বসে থাকবেন?
❖ تراويح (তারাবীহ) এটি আরবী শব্দ। তার ব্যাখ্যায় সহীহ বুখারীর বিখ্যাত ব্যাখ্যাবিদ আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) বলেন-
فتح الباري لابن حجر (4/ 250)
وَالتَّرَاوِيحُ جَمْعُ تَرْوِيحَةٍ وَهِيَ الْمَرَّةُ الْوَاحِدَةُ مِنَ الرَّاحَةِ كَتَسْلِيمَةٍ مِنَ السَّلَامِ سُمِّيَتِ الصَّلَاةُ فِي الْجَمَاعَةِ فِي لَيَالِي رَمَضَانَ التَّرَاوِيحَ لِأَنَّهُمْ أَوَّلَ مَا اجْتَمَعُوا عَلَيْهَا كَانُوا يَسْتَرِيحُونَ بَيْنَ كُلِّ تَسْلِيمَتَيْنِ
تَّرَاوِيحُ শব্দটি تَرْوِيحَةٌ এর বহুবচন। (تَرْوِيحَةٌ) অর্থ একবার বিশ্রাম গ্রহণ করা। যেমন (تسليمة) অর্থ একবার সালাম দেওয়া। মাহে রমযানের বরকময় রজনীতে জামাতের সঙ্গে যে নামায পড়া হয় তাকে تَّرَاوِيحُ  (তারাবীহ) বলে। এই নামকরণের কারণ হচ্ছে, যখন থেকে সাহাবায়ে কেরাম এ নামায সম্মিলিত ভাবে আদায় আরম্ভ করেন তখন থেকেই তারা প্রতি দু’ সালামের পর (অর্থাৎ চার রাকআতের পর) বিশ্রাম নিতেন। (ফাতহুল বারী-৪/২৫০)।

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০১৫

৬ষ্ঠ পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?

৬ষ্ঠ পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা
দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?
✏ ০৮. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) এর হাদীস-(উক্ত রজনীতে দু'আ ফেরত দেয়া হয় না)
مصنف عبد الرزاق الصنعاني (4/ 317)
7927 - قَالَ عَبْدُ الرَّزَّاقِ: وَأَخْبَرَنِي مَنْ، سَمِعَ الْبَيْلَمَانِيَّ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: " خَمْسُ لَيَالٍ لَا تُرَدُّ فِيهِنَّ الدُّعَاءَ: لَيْلَةُ الْجُمُعَةِ، وَأَوَّلُ لَيْلَةٍ مِنْ رَجَبٍ، وَلَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ، وَلَيْلَتَيِ الْعِيدَيْنِ "
❏ অর্থ : আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, পাঁচটি রাত এমন আছে, যে রাতগুলোতে দু'আ ফেরত দেয়া হয় না। জুমআর রাত, রজবের প্রথম রাত, শাবানের পনের তারিখ এর রাত এবং দু'ঈদের রাত। মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক-৪/৩১৭, হাদীস-৭৯২৭, শুয়াবুল ঈমান-৫/২৮৮, হাদীস-৩৪৪০।

বুধবার, ২৭ মে, ২০১৫

৫য় পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?

৫ম পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা
দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?
০৭.  হযরত আলী (রা.) এর হাদীস (শবে বরাতের পরদিন রোযা রাখা সম্পর্কে)।

سنن ابن ماجه (1/ 444)
1388 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلَّالُ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ أَبِي سَبْرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِذَا كَانَتْ لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ، فَقُومُوا لَيْلَهَا وَصُومُوا نَهَارَهَا، فَإِنَّ اللَّهَ يَنْزِلُ فِيهَا لِغُرُوبِ الشَّمْسِ إِلَى سَمَاءِ الدُّنْيَا، فَيَقُولُ: أَلَا مِنْ مُسْتَغْفِرٍ لِي فَأَغْفِرَ لَهُ أَلَا مُسْتَرْزِقٌ فَأَرْزُقَهُ أَلَا مُبْتَلًى فَأُعَافِيَهُ أَلَا كَذَا أَلَا كَذَا، حَتَّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ "
❐ অর্থ : হযরত আলী (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, যখন শা’বানের ১৫তম রাত তোমাদের সম্মুখে এসে যায় তখন তোমরা সে রাতে নামায পড় এবং পরবর্তী দিনটিতে রোযা রাখ। কারণ সেদিন সূর্যাস্তের পর আল্লাহ পাক প্রথম আকাশে অবতরণ করেন এবং (বান্দাহদের ডেকে) বলতে থাকেন আছ কি কোন ক্ষমাপ্রার্থী যাকে আমি ক্ষমা করে দেব? আছ কি কোন রিযিক প্রার্থী যাকে আমি রিযিকের ব্যবস্থা করে দেব? আছ কি কোন বিপদগ্রস্ত যাকে আমি বিপদ মুক্ত করে দেব? এভাবে সুবহে সাদিক পর্যন্ত বলতেই থাকেন, আছ কি কেউ অমুক বস্তুর প্রার্থী? আছ কি কেউ অমুক বস্তুর প্রার্থী? (আমি যার সকল মনোস্কামনা পূর্ণ করে দেব?)-সুনানে ইবনে মাজাহ-১/৪৪৪, হাদীস-১৩৮৮, শোয়াবুল ঈমান,-৩/৩৭৮, হাদীস-৩৮২২-২৩।

মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০১৫

৩য় পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?

৩য় পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা
দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?
❖ উল্লেখ্য যে, বর্তমানে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে তার মাঝে চলে আসছে অনেক যয়ীফ হাদীস (যা ফাযায়েলেল ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এর আসার আর আমাদের আহলে হাদীস ভাইগণ দুটিকেই নিজ সুবিধে ব্যতীত মানতে আগ্রহী নন। তাই এই পর্বে আলোচনা হবে দুইটি বিষয় নিয়ে এক. সাহবাগণ আমাদের অনুসরণীয় কেন? দুই. যয়ীফ হাদীস নিয়ে আলোচনা।
░▒▓█►০১.সাহবাগণ আমাদের অনুসরণীয় কেন?◄█▓▒
সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এর অনুসৃত আদর্শ এবং তাদের উক্তি ও আমল ইলমে হাদীসের কিছু নিয়মনীতি ও শর্তসাপেক্ষে সমস্ত জমহুরে উম্মত, চার মাযহাবের ইমাম ও বিশেষজ্ঞ মুজতাহিদ ইমামগণের নিকট অনুসরণীয়, শরীয়তের যাবতীয় ক্ষেত্রে প্রমাণযোগ্য। মু‘জামু মুসতালাহুল হাদীস, ড. মুহাম্মদ জিয়া আযমী-৫০৭। যফরুল আমানী-৩৩২। আল আজবীব-২২৫।
এ ক্ষেত্রে বিশেষ কয়েকটি শর্তের মধ্যে উল্লেখযোগ্য শর্ত হলো, সাহাবাগণের উক্তি ও আমলগুলো পবিত্র কুরআন ও রাসূল (সা.) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদীসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হওয়া। সাহাবাগণের এমন উক্তি ও আমলগুলো শরীয়তের দলীল হিসেবে গ্রহণ করার পক্ষে পবিত্র কুরআন ও রাসূল (সা.) এর হাদীসে অসংখ্য দলীল প্রমাণ রয়েছে।

২য় পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?

২য় পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা
দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?
✏ ০৩. হযরত আবূ সা’লাবা (রা.) এর হাদীস-
شعب الإيمان (5/ 359)
3551 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْفَقِيهُ، أَخْبَرَنَا أَبُو حَامِدِ بْنُ بِلَالٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْأَحْمَسِيُ، حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِيُّ، عَنِ الْأَحْوَصِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنِ الْمُهَاصِرِ بْنِ حَبِيبٍ، عَنِ مَكْحُولٍ، عَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: " إِذَا كَانَ لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ اطَّلَعَ اللهُ إِلَى خَلْقِهِ فَيَغْفِرُ لِلْمُؤْمِنِ، وَيُمْلِي لِلْكَافِرِينَ، وَيَدَعُ أَهْلَ الْحِقْدِ بِحِقْدِهِمْ حَتَّى يَدَعُوهُ "
❏ অর্থ : হযরত আবূ সা’লাবা (রা.) বলেন : রসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন : ১৫ই শা’বানের রাতে আল্লাহ পাক বান্দাদের দিকে মনোনিবেশ করেন এবং মু’মিন বান্দাদের ক্ষমা করে দেন। অপরদিকে পরস্পর হিংসা বিদ্বেষপোষণকারীদের আপন অবস্থায় ছেড়ে দেন। অর্থাৎ যতক্ষণ না তারা তা থেকে বিরত হয়ে তওবা করতঃ ক্ষমা প্রার্থনা করে। শোয়াবুল ঈমান-৫/৩৫৯, হাদীস-৩৫৫১, কিতাবুস সুন্নাহ-১/২২৩, হাদীস-৫১১, আসসিলসিলাতুস সহীহাহ-৩/১৩৬, হাদীস-১১৪৪, আল মুজামুল কাবীর লিত তাবরানী-২০/২২৩, হাদীস-৫৯০, আন নুযুল দি দারে কুতনী-১৫৯, হাদীস-৭৮ ইত্যাদি অসংখ্য কিতাবে হাদীসটি উল্লেখ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৫

মাহে রমজানের ফযিলতের লক্ষে রজব থেকেই যে দোয়া পড়তে হয়

মাহে রমজানের ফযিলতের লক্ষে রজব থেকেই যে দোয়া পড়তে হয়
(এ বৎসর ২১ এপ্রিল ২০১৫ইং থেকে রজব মাস শুরু)
মুসলিমদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বরকতময় মাস হলো ‘মাহে রমজান’। তাই ইসলামে রয়েছে, রমজান আসার পূর্বেই তার বরকতের জন্য দোয়া করার বিধান। তাহলে আসুন আমরা সকলেই উক্ত দোয়াটি তাহকীক এর সাথে জেনে আমল করার চেষ্টা করি....
✏ হাদীস শরীফের মাঝে এসেছে-
وقد روى البيهقى رحمه الله تعالى فى شعب الإيمان (5/ 348)
3534 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللهِ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُؤَمَّلِ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الشَّعْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، حَدَّثَنَا زِيَادٌ النُّمَيْرِيُّ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ:  كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دَخَلَ رَجَبٌ، قَالَ: " اللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي رَجَبٍ، وَشَعْبَانَ، وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ "
❁ অর্থ : হযরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রজব মাস শুরু হতো রাসূলুল্লাহ (সা.) «اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي رَجَبٍ وَشَعْبَانَ، وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ» দোয়াটি পড়তেন। (অর্থাৎ হে আল্লাহ আপনি আমাদেরকে রজব ও শাবান মাসে বরকত দান করুন এবং রমজান পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দিন)।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৫

আপনি কি ব্যাংক, ফ্যাক্টরী, ইন্ডাষ্ট্রি, বাসা বাড়ী ইত্যাদীর মাঝে অগ্নিসংযোগসহ যে কোন মহা বিপদের জন্য আতংকিত? তাহলে নিন্ম দোয়াটি পড়ুন....

 আপনি কি ব্যাংক, ফ্যাক্টরী, ইন্ডাষ্ট্রি, বাসা বাড়ী ইত্যাদীর মাঝে অগ্নিসংযোগসহ যে কোন মহা বিপদের জন্য আতংকিত? তাহলে নিন্ম দোয়াটি পড়ুন....

عمل اليوم والليلة لابن السني (ص: 54)
57 - أَخْبَرَنَا ابْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا الْأَغْلَبُ بْنُ تَمِيمٍ، حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ فُرَافِصَةَ، عَنْ طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَقَالَ: يَا أَبَا الدَّرْدَاءِ، قَدِ احْتَرَقَ بَيْتُكَ. قَالَ: مَا احْتَرَقَ، اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لَمْ يَكُنْ لِيَفْعَلَ ذَلِكَ؛ لِكَلِمَاتٍ سَمِعْتُهُنَّ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مَنْ قَالَهُنَّ أَوَّلَ نَهَارِهِ لَمْ تُصِبْهُ مُصِيبَةٌ حَتَّى يُمْسِيَ، وَمَنْ قَالَهَا آخِرَ النَّهَارِ لَمْ تُصِبْهُ مُصِيبَةٌ حَتَّى يُصْبِحَ : «اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، عَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَأَنْتَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، مَا شَاءَ اللهُ كَانَ، وَمَا لَمْ يَشَأْ لَمْ يَكُنْ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ، أَعْلَمُ أَنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، وَأَنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ دَابَّةٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا، إِنَّ رَبِّي عَلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ»

শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৫

‘‘নাফস বা আত্মার জিহাদ বড় জিহাদ’’ এ মর্মের হাদীসগুলো কি মাওজু তথা বানানো?


‘‘নাফস বা আত্মার জিহাদ বড় জিহাদ’’ এ মর্মের হাদীসগুলো কি মাওজু তথা বানানো?

❖ প্রশ্ন : ‘‘নাফস বা আত্মার জিহাদ বড় জিহাদ’’ এ মর্মের হাদীসগুলো কি মাওজু তথা বানানো? বিস্তারিত জানালে ভালো হয়।

জবাব : উক্ত মর্মে বিভিন্ন ধরনের হাদীস রয়েছে, তাই সরাসরি মাওজু তথা বানানো বলা কখনো ঠিক হবে না। কেননা এর দ্বারা রাসূল (সা.) এর হাদীসকে অস্বীকার করা হবে। (আর আমাদের অনেক ভাই স্বল্প জ্ঞানের কারণে উক্ত মর্মের সকল হাদীসকে ঢালাও ভাবে মাওজু তথা বানানো বলে আখ্যা দিয়ে যাচ্ছে, যা তাদের জন্য কখনো ঠিক না)।

✏ যেমন দেখুন নিন্মে এ মর্মের তিনটি বর্ণনা উল্লেখ করা হলো।

░▒▓█►০১ নং হাদীস যা ইমাম বায়হাকী তার রচিত কিতাব ‘‘আযযুহদুল কাবীর’’ এর মাঝে উল্লেখ করেছেন: ◄█▓▒
الزهد الكبير للبيهقي (ص: ১৬৫)
৩৭৩ - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدَانَ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا تَمْتَامٌ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَعْلَى، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَدِمَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَوْمٌ غُزَاةٌ، فَقَالَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ " قَدِمْتُمْ خَيْرَ مَقْدَمٍ مِنَ الْجِهَادِ الْأَصْغَرِ إِلَى الْجِهَادِ الْأَكْبَرِ. قَالُوا: وَمَا الْجِهَادُ الْأَكْبَرُ؟ قَالَ: مُجَاهَدَةُ الْعَبْدِ هَوَاهُ ". هَذَا إِسْنَادٌ ضَعِيفٌ

শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৫

হানাফী মাযহাব অনুসারে ফজরের সুন্নাত সংক্রান্ত বিধান এর কোন দলীল আছে কি?

হানাফী মাযহাব অনুসারে ফজরের সুন্নাত সংক্রান্ত বিধান এর কোন দলীল আছে কি?

 প্রশ্ন : জামাআতে নামায অনুষ্ঠানের জন্য ইকামত হয়ে গেলে নিকটবর্তী স্থলে অন্য কোন নামায হয় না, তাহলে ফজরের সুন্নত নামায কেন তখনও পড়া হয় যখন ফরয নামায আরম্ভ হয়? হাদীছের দৃষ্টিতে তো নামায হয়নি? আর মসজিদের কোন কোণে পড়ে নেয়ার সময় কি ইমামের কিরাআতের স্বর তার কানে পৌঁছে পরস্পর আঘাত করবে না?

 জবাব : এ মাসয়ালায় দু’ দিক থেকে বিরোধ, যে কারণে কোন এক দিক গ্রহণ করলেই আপত্তি উঠে। একটি হলো এই যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) অসংখ্য হাদীছ শরীফে ফজরের সুন্নতের প্রতি অত্যাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। এ কারণেই উম্মতের সর্বসম্মত মতে ফরয ও বিতর নামাযের পর সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফজরের সুন্নত নামায। 

বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৫

‘ যে ব্যক্তি জিকির করতে করতে নিজ জিহ্বা তাজা রাখিবে, সে কিয়ামতের দিন হাসতে হাসতে জান্নাতে প্রবেশ করিবে’’

 তাবলীগ ও আল্লামা জাকারিয়া সাহেব (রহ.) এর প্রতি  অপপ্রচারের জবাব ও পাল্টা চ্যালেঞ্জ

❁ প্রশ্ন : তাবলীগের সাথীগণ বলে থাকেন : ‘‘ যে ব্যক্তি জিকির করতে করতে নিজ জিহ্বা তাজা রাখিবে, সে কিয়ামতের দিন হাসতে হাসতে জান্নাতে প্রবেশ করিবে’’ কোরআন  সুন্নাহের আলোকে এ কথাটির কোন ভিত্তি রয়েছে? না কি মুরুব্বিদের বানানো বিদ-আতী ও মনগড়া কথা?

 উত্তর : হ্যাঁ, এ কথাটি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। মুরুব্বিদের মনগড় বা কোন বেদ-আতি কথা নয়। দেখুন নিন্মে তার  তাহকীক। 

 ইমাম বুখারী (রহ.) এর উস্তাদ ‘ইমাম ইবনে শায়বা (রহ.)’’ এ সংক্রান্তে একটি হাসান বর্ণনা, তার নিজ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন-
مصنف ابن أبي شيبة (6/ 58)
29459 - حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: «إِنَّ الَّذِينَ لَا تَزَالُ أَلْسِنَتُهُمْ رَطْبَةً مِنْ ذِكْرِ اللَّهِ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ وَهُمْ يَضْحَكُونَ»

হযরত আবূ দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যাদের জিহ্বা আল্লাহর জিকির দ্বারা তাজা থাকে তারা হাসতে হাসতে জান্নাতে প্রবেশ করবে।