মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০১৫

২য় পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?

২য় পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা
দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?
✏ ০৩. হযরত আবূ সা’লাবা (রা.) এর হাদীস-
شعب الإيمان (5/ 359)
3551 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْفَقِيهُ، أَخْبَرَنَا أَبُو حَامِدِ بْنُ بِلَالٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْأَحْمَسِيُ، حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِيُّ، عَنِ الْأَحْوَصِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنِ الْمُهَاصِرِ بْنِ حَبِيبٍ، عَنِ مَكْحُولٍ، عَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: " إِذَا كَانَ لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ اطَّلَعَ اللهُ إِلَى خَلْقِهِ فَيَغْفِرُ لِلْمُؤْمِنِ، وَيُمْلِي لِلْكَافِرِينَ، وَيَدَعُ أَهْلَ الْحِقْدِ بِحِقْدِهِمْ حَتَّى يَدَعُوهُ "
❏ অর্থ : হযরত আবূ সা’লাবা (রা.) বলেন : রসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন : ১৫ই শা’বানের রাতে আল্লাহ পাক বান্দাদের দিকে মনোনিবেশ করেন এবং মু’মিন বান্দাদের ক্ষমা করে দেন। অপরদিকে পরস্পর হিংসা বিদ্বেষপোষণকারীদের আপন অবস্থায় ছেড়ে দেন। অর্থাৎ যতক্ষণ না তারা তা থেকে বিরত হয়ে তওবা করতঃ ক্ষমা প্রার্থনা করে। শোয়াবুল ঈমান-৫/৩৫৯, হাদীস-৩৫৫১, কিতাবুস সুন্নাহ-১/২২৩, হাদীস-৫১১, আসসিলসিলাতুস সহীহাহ-৩/১৩৬, হাদীস-১১৪৪, আল মুজামুল কাবীর লিত তাবরানী-২০/২২৩, হাদীস-৫৯০, আন নুযুল দি দারে কুতনী-১৫৯, হাদীস-৭৮ ইত্যাদি অসংখ্য কিতাবে হাদীসটি উল্লেখ রয়েছে।

সোমবার, ২৫ মে, ২০১৫

১ম পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?

১ম পর্ব : শবে বরাতের বাস্তবতা * সালাফীদের মাথা ব্যথা
দলীল দ্বারা প্রমাণিত* কেন তারা মিথ্যায় রত?
❖প্রশ্ন : আজকাল কারো কারো মুখে শোনা যায় যে, শবে বরাত বলতে কিছু নেই, এ রাতের ফযীলত বিষয়ে যত রেওয়ায়েত আছে সব মওযূ বা যয়ীফ। তাই শবে বরাতকে ফযীলতপূর্ণ রাত মনে করা এবং সে অনুযায়ী আমল করা জায়েয নয়। তাদের দাবী কি সঠিক? যদি সঠিক না হয় তাহলে হাদীস ও সুন্নাহর আলোকে শবে বরাতের গুরুত্ব ও ফযীলত সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।

❖উত্তর : না তাদের দাবী সম্পূর্ণ ভুল ও ভ্রান্ত। শবে বরাত অর্থাৎ ১৫ শা’বানের রজনী। যার ফযীলত সম্পর্কে সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। যেমন-

রবিবার, ২৪ মে, ২০১৫

০১ম পর্ব : তাবলীগ বিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে এখন এতেকাফ নিয়েও বিভ্রান্তিতে সালাফীগণ

০১ম পর্ব
তাবলীগ বিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে এখন এতেকাফ নিয়েও বিভ্রান্তিতে সালাফীগণ

❖ প্রশ্ন : কথিত আহলে হাদীস তথা সালাফী ভাইয়েরা বলেন, তাবলীগের সাথীগণ (রমজান ব্যতীত) এতেকাফের নিয়ত করে মসজিদে অবস্থান করেন, অথচ ইসলামে ইতেকাফ বলতে মাহে রমজানের শেষ দশ দিন ছাড়া আর কোথাও নেই। তাহলে তারা কিসের এতেকাফ করে? তাদের এই তথ্য কি সঠিক? জানিয়ে বাধিত করবেন।

০২য় পর্ব : তাবলীগ বিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে এখন এতেকাফ নিয়েও বিভ্রান্তিতে সালাফীগণ

০২য় পর্ব
তাবলীগ বিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে এখন এতেকাফ নিয়েও বিভ্রান্তিতে সালাফীগণ

░▒▓█►মসজিদে আসা যাওয়ার সময় কতিপয় করণীয় আমল◄█▓▒░
❀ উল্লেখ্য যে তাবলীগের সাথীগণ নিন্ম আমলগুলো করে থাকেন, তাই সেগুলোর দলীলও উল্লেখ করে দেয়া হলো। অন্যথায় অন্য সময় আমাদের সালাফী ভাইগণ দলীল খুজে না পেয়ে পুনরায় ফেৎনা সৃষ্টি করার আশংকা রয়েছে।

শনিবার, ২৩ মে, ২০১৫

সমুদ্রের মাঝে নিক্ষিপ্ত সম্পদ পৌঁছে গেলো কাঙ্ক্ষিত স্থানে * কারামাতের অস্বিকারকারীগণ কি জবাব দিবেন এখানে?

সমুদ্রের মাঝে নিক্ষিপ্ত সম্পদ পৌঁছে গেলো কাঙ্ক্ষিত স্থানে * 
কারামাতের অস্বিকারকারীগণ কি জবাব দিবেন এখানে?
❖সাম্প্রতিক কালে আমাদের কথিত আহলে হাদীস ভাইগণ ‘কারামাত’ এর নাম শুনলেই প্রস্তুত হয়ে পড়ে কুফরী বলে ফাতওয়া দেয়ার জন্য। এখন আমার প্রশ্ন হলো যদি ঐ কারামত সহীহ বুখারী থেকে প্রমাণিত হয়, তাহলে তারা কি বলবে? (চিরকাল আমার এই চ্যালেঞ্জ তাদের প্রতি থাকলো)

শুক্রবার, ২২ মে, ২০১৫

ইসলাম স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য আর কি ভূমিকা রাখবে.......?

ইসলাম স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য আর কি ভূমিকা রাখবে.......?
❁ সন্মানিত পাঠক বর্তমান বিশ্বে এক ধরনের মানুষ আছে যারা নিজ জ্ঞান স্বল্পতার কারণে মহান আল্লাহর নির্দশন ও ইসলামের বিধানগুলো জানার পরও ঈমান গ্রহন করতে পারে না। আমি তাদের প্রতি খুবই মর্মাহত..
আসলে ইসলাম যে এতো পূর্নাঙ্গ ধর্ম যা সম্পূর্ণ ভাবে বুঝানো আমার পক্ষে সম্ভব না। তাই মাঝে মাঝে কিছু বিষয়কে বুঝানোর চেষ্টা করি, তার মধ্যে থেকে আজকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করবো । আর তা হলো....
❏‘‘ইসলাম স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য একটি অবৈধ কাজকেও বৈধ করেছেন আর তাহলো ‘‘মিথ্যা কথা বলা’’। (কিন্তু তা ক্ষেত্র বুঝে, সব সময় সব জায়গায় না।’’)

বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০১৫

দাফন বা কবর যিয়ারতের পর মৃত ব্যক্তির জন্য হাত উত্তোলন করে দোয়া করার বিধান

দাফন বা কবর যিয়ারতের পর মৃত ব্যক্তির জন্য হাত উত্তোলন করে দোয়া করার বিধান
❖ প্রশ্ন : দাফন বা কবর যিয়ারতের পর মৃত ব্যক্তির জন্য হাত উত্তল করে দোয়া করা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত কি?
❖ জবাব : হ্যাঁ, হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

✏০১. হযরত উসমান (রা.) এর হাদীস- 
سنن أبي داود (3/ 215)
3221 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَحِيرٍ، عَنْ هَانِئٍ، مَوْلَى عُثْمَانَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، إِذَا فَرَغَ مِنْ دَفْنِ الْمَيِّتِ وَقَفَ عَلَيْهِ، فَقَالَ: «اسْتَغْفِرُوا لِأَخِيكُمْ، وَسَلُوا لَهُ بِالتَّثْبِيتِ، فَإِنَّهُ الْآنَ يُسْأَلُ»
হযরত উসমান (রা.) বলেন, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মৃত ব্যক্তিকে কবর দিতেন, তখন তার কবরের পাশে কিছুক্ষণ অবস্থান করতেন এবং বলতেন, তোমাদের ভাইয়ের জন্য মাগফিরাতের দোয়া কর এবং সওয়াল-জওয়াবের সময় অবিচল থাকার দোয়া কর। কেননা এখন তাকে প্রশ্ন করা হচ্ছে। সুনানে আবু দাউদ-৩/২১৫, হাদীস-৩২২১। হাদীসটি সহীহ।